শিবরাম চক্রবর্তীর ভাই শিবসত্য চক্রবর্তী ছিলেন ঘাটশিলায় একটি হাই স্কুলের শিক্ষক।
শিবরাম একদিন ঘাটশিলা গিয়ে দেখলেন ভাই শিবসত্য খুব বিষণ্ণ মুখে বসে আছেন। শিবরম বললেন
-কি রে কি হয়েছে?
-আর বোলো না। ইংরেজি পরীক্ষার খাতাগুলো দেখো একবার।
শিবরাম দেখলেন উত্তরপত্রে প্রতিটা প্রশ্নের উত্তরে গরুর ছবি আঁকা রয়েছে এবং উত্তর হিসেবে লেখা হয়েছে 'গাই হামারি মাতা হ্যায় আংরেজি নেহি আতা হ্যায়।
২ নং প্রশ্নের উত্তরেও গরুর ছবি। সাথে লেখা হয়েছে 'গাই হামারি মাই রে আংরেজি নেহি আই রে'।
৩ নং প্রশ্নের উত্তরেও যথারীতি গরুর ছবি, সাথে লেখা 'গাই হামারি মাতা জি, আংরেজি নেহি আতা জি'।
এইভাবে সব প্রশ্নেরই উত্তর দেওয়া হয়েছে।
শিবসত্য বললেন
-এবার বলো আমি কি করব?
-কি আবার করবি? ঘ্যাচাং ঘ্যাচ কেটে দিবি আর নাম্বার দিবি গোল্লা।
-বলো কি? গোল্লা দেব? গরুকে কাটব? তা হলে ওরা আমার মাথা কেটে নেবে।
শিবরাম অনেকক্ষণ ভাবনাচিন্তা করার পর বললেন,
-তা হলে এক কাজ কর। কাটতে হবে না, নাম্বারও দিতে হবে না। শুধু আনসার পেপারে লিখে দে, 'বলদ মেরা বাপ হ্যায়, নাম্বার দেনা পাপ হ্যায়'।
শিবরাম একদিন ঘাটশিলা গিয়ে দেখলেন ভাই শিবসত্য খুব বিষণ্ণ মুখে বসে আছেন। শিবরম বললেন
-কি রে কি হয়েছে?
-আর বোলো না। ইংরেজি পরীক্ষার খাতাগুলো দেখো একবার।
শিবরাম দেখলেন উত্তরপত্রে প্রতিটা প্রশ্নের উত্তরে গরুর ছবি আঁকা রয়েছে এবং উত্তর হিসেবে লেখা হয়েছে 'গাই হামারি মাতা হ্যায় আংরেজি নেহি আতা হ্যায়।
২ নং প্রশ্নের উত্তরেও গরুর ছবি। সাথে লেখা হয়েছে 'গাই হামারি মাই রে আংরেজি নেহি আই রে'।
৩ নং প্রশ্নের উত্তরেও যথারীতি গরুর ছবি, সাথে লেখা 'গাই হামারি মাতা জি, আংরেজি নেহি আতা জি'।
এইভাবে সব প্রশ্নেরই উত্তর দেওয়া হয়েছে।
শিবসত্য বললেন
-এবার বলো আমি কি করব?
-কি আবার করবি? ঘ্যাচাং ঘ্যাচ কেটে দিবি আর নাম্বার দিবি গোল্লা।
-বলো কি? গোল্লা দেব? গরুকে কাটব? তা হলে ওরা আমার মাথা কেটে নেবে।
শিবরাম অনেকক্ষণ ভাবনাচিন্তা করার পর বললেন,
-তা হলে এক কাজ কর। কাটতে হবে না, নাম্বারও দিতে হবে না। শুধু আনসার পেপারে লিখে দে, 'বলদ মেরা বাপ হ্যায়, নাম্বার দেনা পাপ হ্যায়'।
No comments:
Post a Comment